বিসমিল্লাহির রহমানের রহিম, আসসালামু আলাইকুম,
সিদ্দিকীয়া আমিনিয়া কারিমিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৩ সালে ।প্রতিষ্ঠাতা সুফী ফজলুল করিম রহ: | সম্পাদক মোহাঃ ইয়াকুব আলী গাজী ( ১৯৯৮ সাল থেকে বর্তমান সময় পযন্ত ) |
সেই সর্ব শক্তিমান আল্লাহ পাকের সমস্ত প্রশংসা যিনি আমাদের ইসলাম নামক দৌলত দান করেছেন। নীল আকাশের নীচে, শহর থেকে দূরে সুন্দর মনোরম প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশের মধ্যে অবহিত সকলের স্নেহ ও শুভেচ্ছা ধন্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান, “সিদ্দিকীয়া আমিনিয়া কারিমিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা” বিশ্ব মানবতার চিরশান্তি ও কল্যানের উদ্দেশ্যে ভবানীপুর এলাকার কতিপয় ধর্মপ্রাণ মানুষ অঙ্কুরিত ছোট্ট একটি বীজ রোপন করেছিল তা আজ অর্ধশতাব্দীর ও বেশী সময় ধরে বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি, ঘাত-প্রতিঘাত এবং প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে আল্লাহপাকের অশেষ করুণা প্রবাহে আজ মাদ্রাসা সারা দেশ ব্যাপী স্বমহিমায় নিজ সুনাম অর্জন করেছে। আমাদের মাদ্রাসার বিশেষ কিছু বৈশিষ্ঠ্য হল এই মাদ্রাসা তার ছাত্র স্বচ্ছ ইসলামী বৈশিষ্ঠ্য সুন্নাতি আদব-কায়দায় আলোকে গড়েছেন ৷
তিনজন আল্লাহ প্রেমিকের নামে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসা ২৪ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়ে পাঁচ শতাধিক ছাত্রদের নিয়ে গত সালে শিক্ষা প্রদান করে এসেছে। ৪০টি কক্ষ বিশিষ্ট তিন তলা তিনটি বিল্ডিং-এ দ্বীনি খেদমত আল্লাহর রহমতে ও এলাকাবাসী এবং দূরবর্তী মানুষদের সম্পূর্ণ দানের উপর এই প্রতিষ্ঠান চলে আসছে। ২০ ও ২১শে মাঘ বাৎসরিক ঈসালে সওয়াব, নবীদিবস, তিনজন আল্লাহ প্রেমিকদের নামে স্মৃতিসভা, অভিভাবক সম্মেলন, বস্ত্র বিতরণ, ইফতার মজলিস, চিকিৎসা শিবির প্রভৃতি ইসলামিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিন দিন মাদ্রাসার গৌরব চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।
মাদ্রাসার ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদ্রাসার প্রস্তাবিত বিল্ডিং নির্মানকল্পে ও কম্পিউটার শিক্ষা চালু করতে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। যা সকলের সার্বিক দানে আগামীতে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ। একজন মুসলমানের বহিরাকৃতি কেমন হলে সে সরল সফলকার মানুষ হতে পারবে সেই শিক্ষা প্রদান করে সঠিক চরিত্র গঠন করার অনলস মেহনত করা হয়।
সকল ধর্মপ্রাণ শুভবুদ্ধি, শিক্ষানুরাগী ও বুদ্ধিজীবি মানুষদের কাছে আমার আবেদন সকল অপচেষ্টাকে প্রতিহত করে মাদ্রাসার ঐতিহ্য ও সম্মানকে অক্ষুন্ন রেখে উন্নায়নের ধারাকে অব্যাহত রাখুন। পরিশেষে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী, মাদ্রা
বার্ষিক পরীক্ষা ও বিশেষ অনুষ্ঠান

আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন, ওয়াসসালামু আলা-রাসুলিহিল কারিম,
শিক্ষার গুরুত্ব ও মর্যাদা সার্বজনীন ও সর্বকালীন। কোনো দেশ, সমাজ তথা রাষ্ট্রের উন্নতি নির্ভর করে শিক্ষার উপর। ইসলামেও তাই শিক্ষা বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার মহান গুরুত্ব উপলব্ধি করেই এলাকার কতিপয় শিক্ষা দরদী মানুষের সাহায্য ও সহানুভূতিতে সেকাল ও একালের মানব জাতীর বরণীয়-স্বরণীয় ও সর্বকালের অমর ব্যক্তিত্ব মোজাদ্দেদে জামান দাদা হুজুর কেবলা (রহঃ), তদীয় খলিফা আল্লামা রুহুল আমীন (রহঃ) এবং তাদেরই ভক্ত সুফী ফজলুল কারীম (রহঃ) এঁর স্বীয় প্রচেষ্টায় বিগত ইংরাজী ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়ে এহেন উল্লিখিত তিন জন মহামানবের স্মৃতি বহন করে চলেছে। অবশ্যই ইদানিং কালের বিগত কয়েক বছর বাংলার উদারপ্রাণ মানুষের সহযোগিতা ব্যাক্তি জীবনের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে কেবলই প্রখ্যাত পীর-অলীদের রুহানী দোয়া সহায় সম্বল করে, তাঁদেরই স্মৃতি আঙিনায় সময় ও শ্রম দিয়ে আসছি। বর্তমানে মাদ্রাসার পঠন-পাঠন, প্রাথমিক স্তরসহ টাইটেল পর্যায়ে উন্নিত। ছাত্র-শিক্ষক সমন্বয়ে আবাসিক, ছাত্র-শিক্ষক ক্রমবর্ধমান যার বাৎসরিক ব্যায় প্রায় কোটি টাকার অধিক। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতায় উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব পার্শ্বে নির্মিত হয়েছে আধুনিক মানের নয়নাভিরাম ত্রিতল বিল্ডিং, প্রশস্ত ওজুখানা, পর্যাপ্ত টয়লেট ও আধুনিক মানের প্রশস্ত লাইব্রেরী স্থাপন করা হয়েছে।
সে কারণে সকল বিষয়ের চিন্তা মাথায় রেখে গোটা দেশবাসী, ছাত্র-অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও জাতীয় চেতনায় সচেতন মহানুভব ব্যক্তিবর্গের নিকট আবেদন রাখছি সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন। আল্লাহ-তায়ালার রসুল (সাঃ) ও তাঁহার পরম বন্ধুজন অলিগণের সত্যিকার ভক্তদিগের কাতারে যেন হাশরের মহা ময়দানে মোদের স্থান হয়। (আমীন)
বিনীত খাদেম-
মোহাঃ ইয়াকুব আলী
মূখ্যপরিচালক, ভবানীপুর মাদ্রাসা
সর্বশেষ আপডেট মাদ্রাসার তথ্যের জন্য